২০১১ সাল রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। তৃণমূলের আগমনের পর থেকেই মধ্য হাওড়া কে নিজের দখলে রেখেছেন অরূপ রায়। জেলার অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। ভোটে জিতে হয়েছেন টানা তিন বারের বিধায়ক। সেই কারণেই আসন্ন নির্বাচনী লড়াইয়েও তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছে দল। ২০২৬ -এও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে ওই একই কেন্দ্র থেকে টিকিট দিয়েছেন। মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ঘাসফুল শিবিরের হয়ে লড়াই করছেন অরূপ। নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা। ভোটারদের মন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি এবং তার কর্মী সমর্থকরা। রবিবাসরীয় সকলকে তিনি প্রচারের মাধ্যম হিসেবে একটু বিনোদন কেই বেছে নিলেন। অভিনব পদ্ধতিতে সারলেন নিজের প্রচারপর্ব।
রবিবার সকালে হাওড়ার হাজার হাত কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন অরূপ রায়। তারপর হুডখোলা গাড়িতে চেপে এলাকায় প্রচারে বের হন। গাড়ি থেকেই সকলের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন তিনি। এদিন হাওড়া কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন অরূপ রায়। প্রচারে তার সঙ্গে ছিলেন অগণিত কর্মী সমর্থক। এই কেন্দ্র থেকে তার বিপরীতে লড়ছেন বিজেপি থেকে বিপ্লব মণ্ডল এবং সিপিএম থেকে ইমতিয়াজ আহমেদ। তবে তিনি নিজের জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী। এদিন সকালে তার এই র্যালি দেখতে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ।
অপরদিকে, মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির তরফ থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বিপ্লব মন্ডল কে। তিনিও পুরোদমে শুরু করে দিয়েছেন নিজের প্রচার। রবিবার সকালে শিবপুর মন্দিরতলা থেকে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী। শিবপুর বাজারে কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গে। পরবর্তীতে জোড়া পুকুর মাঠ, বেনে মিস্ত্রি লেন হয়ে মন্দিরতলায় এসে প্রচার শেষ করেন বিপ্লব। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভালোই সাড়া পাচ্ছেন তিনি বলে জানিয়েছেন পদ্ম প্রার্থী। বাংলায় ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়বে বিজেপি। একইসঙ্গে বাংলায় মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারবে বলেও আশাবাদী তিনি। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য রাজ্যেই কর্মসংস্থান হবে বলে প্রতিশ্রুতি বিজেপি নেতার।
